দৃষ্টিভঙ্গি 

দৃষ্টিভঙ্গি বদলান দুনিয়া বদলে যাবে।


আপনি অর্ধ পানি পূর্ণ একটি গ্লাসকে দেখলে সহজেই বলেদেন গ্লাসের পানি অর্ধেক ভরা কিংবা অর্ধেক পানি শূন্য। এতে কি প্রকাশ হয়? এতে প্রকাশ হয় আপনার দৃষ্টিভঙ্গি। অর্থাৎ আপনার চোখে যেটা শুন্য সেটা হতাশার চিত্র আবার আপনার চোখেই যেটা অর্ধ পূর্ণ সেটা আশাবাদের চিত্র। আপনি গ্লাসটিকেকীভাবে দেখছেন তা আপনার চিন্তা,মানসিক দৃষ্টিভঙ্গি এর উপর নির্ভর করে। আমাদের জীবনটাও ঠিক তেমনই। মানুষের সামাজিক অবস্থানকে কেন্দ্র করেআপনার আমার দৃষ্টিভঙ্গি মানুষকে করেছে আলাদা দুটি জাতিতে। এক. মেজরিটি এক্সক্লুসিভ , দুই. মাইনরিটি এক্সক্লুসিভ। দুনিয়ার এই মেজরিটি আরমাইনরিটির সিস্টেমে কে ভেদ করে আমরা এক হতে পারছি না ফলে, ভিন্ন ভিন্ন দলে ভাগ হয়, মানুষের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণী বৈষম্যের সৃষ্টি হয়। সমস্যাটাকোথায়? সমস্যাটা হলো, এই যে একটা সো-কল্ড সামাজিকীকরণের জন্য গোটা মানবকুলকে একটা 

মেজরিটি এক্সক্লুসিভ আর মাইনরিটি এক্সক্লুসিভ এ আলাদা করা হচ্ছে এটাই ভুল। কে ধনী কে গরীব, কে সাদা কে কালো, কে বেশি জ্ঞানী কে বেশি বোকা, কে বেশি ক্ষমতাবান কে বেশি ক্ষমতাহীন আমরা এসবের চর্চায় চিন্তাশীল। এর ফলে আমরা হারাচ্ছি এক উন্নয়নশীল পৃথিবী। দেশের সরকার যতই চেষ্টাকরুক দেশ পাল্টাতে, উন্নতি করতে। কিন্তু ভাই উন্নত হবে না তত দিন পর্যন্ত যত দিন না পর্যন্ত এই জাজমেন্টাল পদ্ধতিভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গিবাদ  পরিবর্তন না হবে। তবে সলিউশনটা কি? 


 এক্সক্লুসিভিটি বাড়িয়ে যে জিনিশ টা জেনারালাইজড হয়ে আছে তা ইচ্ছা শক্তির বিশ্বাস দিয়ে দূর করে, কিংবা জাজমেন্টাল পদ্ধতিভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গিবাদ না বদলানোর আগ পর্যন্ত আমাদের স্বপ্নের পৃথিবী গড়ার কিংবা দেশ গড়ার পথ যাত্রা হবে চাঁদ পর্যন্ত, কিন্তু ভাই মঙ্গল গ্রহের আর যাওয়া হবে না। 


মো. তসলিম ভূঁইয়া প্রান্তিক।

শিক্ষার্থী, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, আইন বিভাগ